মেনু নির্বাচন করুন
ইউনিয়ন ভূমি সহকারি কর্মকর্তা

বাংলাদেশ একটি কৃষি প্রধান দেশ। কৃষি হচ্ছে এ দেশের অন্যতম জাতীয় আয়ের অন্যতম উৎস এবং প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ মানুষের জীবন-জীবিকার অবলম্বন। তাই এ দেশে ভূমি ও পানি সম্পদের গুরুত্ব অপরিসীম। ভূমি হচ্ছে মৌলিক প্রাকৃতিক সম্পদ যা মানুষের নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্য, শিল্পপণ্য, ভোগ বিলাস, স্বাস্থ্য রক্ষার উপকরণ ইত্যাদির মূল উৎস। কিন্তু জনসংখ্যা বৃদ্ধি, ভূমি অপরিকল্পিত ব্যবহারের কারণে আমাদের এ গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে। অর্থনৈতিক অগ্রগতির সাথে সাথে নগরায়নের প্রবণতা বাড়ছে, শিল্পায়নের পরিধি ক্রমশঃ বৃদ্ধি পাচ্ছে, রাস্তাঘাট, হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্রমাগত সম্প্রসারণের ফলে মাথাপিছু জমির পরিমাণ ক্রমেই সংকুচিত হচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ এ সম্পদের ব্যবহার সঠিক পরিকল্পনার উপর অনেকাংশে নির্ভরশীল। তাই একটি যথাযথ সুষ্ঠু পরিকল্পনা, নীতির মাধ্যমে এ প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার তথা সীমিত ভূমির সর্বোত্তম ব্যবহার সুনিশ্চিত করা প্রয়োজন। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে ভূমি মন্ত্রণালয় হতে ভূমি ব্যবহার নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ভূমি সংক্রান্ত সকল কার্যাদি সম্পাদনের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রণালয় গঠন করা হয়। বর্তমানে ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর, ভূমি সংস্কার বোর্ড, ভূমি আপীল বোর্ড, ভূমি প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং হিসাব নিয়ন্ত্রক (রাজস্ব) দপ্তর ভূমি মন্ত্রণালয় এর অধীনে কাজ করছে। বিভাগীয় পর্যায়ে কমিশনার, জেলা পর্যায়ে কালেক্টর (জেলা প্রশাসক), উপজেলা পর্যায়ে সহকারী কমিশনার(ভূমি), ইউনিয়ন পর্যায়ে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (তহশীলদারগণ) ভূমি সংক্রান্ত কার্যাদি সম্পাদনে নিয়োজিত রয়েছেন। ভূমি উন্নয়ন কর ও রাজস্ব আদায়, খাস জমি ব্যবস্থাপনা ও বন্দোবস্ত, জলমহাল ব্যবস্থাপনা, ভূমি অধিগ্রহণ ও হুকুম দখল, ভূমি রেকর্ড ও জরিপকরণ এবং ভূমি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা/কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ প্রদান ইত্যাদি বিষয়ে ভূমি মন্ত্রণালয়ের কাজ করে থাকে। এছাড়াও ব্যাংকের মাধ্যমে ভূমি উন্নয়ন কর আদায়, জনস্বার্থে ভূমি আইন ও বিধি প্রণয়ন ইত্যাদি সংস্কারমূলক কার্যক্রম এবং ভূমিহীন ছিন্নমূল জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসন, ভূমি জোনিং কার্যক্রম, চর ডেলেপমেন্ট এন্ড সেটেলমেন্ট প্রকল্পের আওতায় ভূমিহীনদের মধ্যে খাসজমি বন্দোবস্ত প্রদান, উপজেলা ও ইউনিয়ন ভূমি অফিস নির্মাণ ও মেরামত, ভূমি রেকর্ড আধুনিকীকরণ তথা জনসাধারণকে স্বল্পতম সময়ে ভূমি সংক্রান্ত সেবা প্রদান ইত্যাদি উন্নয়নমূলক কার্যাদি ভূমি মন্ত্রণালয় কর্তৃক সম্পাদিত হয়ে থাকে।

  • কী সেবা কীভাবে পাবেন
  • প্রদেয় সেবাসমুহের তালিকা
  • সিটিজেন চার্টার
  • সাধারণ তথ্য
  • সাংগঠনিক কাঠামো
  • কর্মকর্তাবৃন্দ
  • তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা
  • কর্মচারীবৃন্দ
  • বিজ্ঞপ্তি
  • ডাউনলোড
  • আইন ও সার্কুলার
  • ফটোগ্যালারি
  • প্রকল্পসমূহ
  • যোগাযোগ

ক্রমিক

সেবার নাম

সেবা প্রদানের সময়সীমা

সেবা প্রদানের পদ্ধতি

সেবা প্রদানের স্থান

০১

ভূমি উন্নয়ন কর

(Land Development Tax)

তাৎক্ষনিক

Land Development Tax Ordinance, 1976

অনুযায়ী নির্ধারিত হারে কর/খাজনা আদায় করে সাথে সাথে দাখিলা প্রদান করা হয়।

ইউনিয়ন ভূমি অফিস

০২

নামজারী ও জমাখারিজ

(Mutation)

সর্বোচ্চ ৪৫ দিন

সরকারী ফি ২৫০.০০ টাকা। আবেদনকারী নিজে বা তার পক্ষে প্রতিনিধি আবেদন করলে উভয়ের ছবিসহ আবেদনের প্রেক্ষিতে সংশ্লি­ষ্ট ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা এর নিকট হতে প্রস্তাব প্রাপ্তির পর নোর্টিশ জারীর মাধ্যমে উভয়পক্ষের শুনানী গ্রহণ করা হয়। শুনানীর সময় মূল দলিলসহ আনুসাঙ্গিক রেকর্ডপত্র দেখা হয়। এছাড়া এল.টি নোটিশ প্রাপ্তীর সাথে সাথে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নামজারী করা হয়ে থাকে।

উপজেলা ভূমি অফিস

ইউনিয়ন ভূমি অফিস

০৩

পেরীফেরীভূক্ত হাটবাজারের অস্থায়ী বন্দোবস্ত/ নবায়ন

০৭ দিন

ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তার সুপারিশসহ প্রতিবেদনের আলোকে লীজের শর্ত ভংগ না করলে নির্ধারিত হারে লীজ মানি গ্রহণপূর্বক একসনা লীজ নবায়ন করা হয় এবং ডি.সি.আর প্রদান করা হয়।

উপজেলা ভূমি অফিস

ইউনিয়ন ভূমি অফিস

ক্রমিক নং

সেবার নাম

সেবা প্রদানের সময়সীমা

সেবা প্রদানের পদ্বতি

সেবা প্রদানের স্থান

ভূমি উন্নয়ন কর

তাৎক্ষণিক

Land Devlopment Tax 1976 অনুযায়ী সাথে সাথে দাখিলা প্রদান করা হয়।

ইউনিয়ন ভূমি অফিস

নামজারী ও জমাখারিজ

সর্বোচ্চ ৪৫ দিন

সরকারী ফি:

আবেদনের কোর্ট ফি-                      ২০/-

রেকর্ড সংশোদন ফি                      ২০০/ নোটিশ জারী ফি (অনধিক ৪ জনের জন্য) ২/-   

খতিয়ান ফি                                 ৪৩/-

ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা এবং কানুনগো এর প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর নোটিশ জারীর মাধ্যমে উভয় পক্ষের শুনানী গ্রহণ করা হয়। শুনানীর সময় মূল কাগজপত্র দেখা হয়।  এছাড়া এল.টি নোটিশ প্রাপ্তির সাথে সাথে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নামজারী করা হয়ে থাকে।                                                

উপজেলা ভূমি অফিস/ ইউনিয়ন ভূমি অফিস

পেরী-ফেরী ভূক্ত হাট-বাজারের অস্থায় ১সনা বন্দোবস্ত প্রদান/নবায়ন

৭ দিন

ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তার সুপারিশসহ প্রতিবেদনের আলোকে লীজের শর্ত ভঙ্গ না করলে নির্ধারিত হারে লীজমানি গ্রহণপূর্বক নবায়ন করা হয় এবং ডি.সি.আর প্রদান করা হয়।

উপজেলা ভূমি অফিস

ভিপি একসনা বন্দোবস্ত নবায়ন

৭ দিন

ভিপি তিন সনা মেয়াদী পকুর, জলাশয়, ফলের বাগান প্রকাশ্য নিলামে ইজারা প্রদান

--------

নীতিমালা অনুয়ায়ী নিলাম কমিটির মাধ্যমে প্রকাশ্য ইজারা প্রদান করা হয়।

কৃষি খাস জমি বন্দোবস্ত

--------

১৯৯৭ ইং সনের কৃষি খাস জমি বন্দোবস্ত নীতিমালা অনুয়ায়ী উপজেলা কৃষি খাস জমি বন্দোবস্ত কমিটির মাধ্যমে প্রস্তাব জেলা কৃষি খাস জমি বন্দোবস্ত কমিটির নিকট প্রেরণ করা হয়। বিস্তারিত তথ্যের জন্য উপজেলা ভূমি অফিসে যোগাযোগ করুন।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, উপজেলা নির্বাহী অফিস, উপজেলা ভূমি অফিস, ইউনিয়ন ভূমি অফিস

অকৃষি খাস জমি বন্দোবস্ত

------

১৯৯৫ ইং সনের অকৃষি খাস জমি বন্দোবস্ত নীতিমালা অনুযায়ী বন্দোবস্ত প্রস্তাব উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে প্রেরণ করা হয়।

পেরী-ফেরী ভূক্ত হাট-বাজারের অর্ধশতক ভূমি একসনা বন্দোবস্ত

-------

প্রকৃত ব্যবসায়ীর অনুকহলে নীতিমালা অনুয়ায়ী লীজ প্রস্তাব উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে প্রস্তাব করা হয়।

উপজেলা ভূমি অফিস, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, চট্টগ্রাম।

 সৃজিত খতিয়ান এবং নথির সার্টিফাইড কপি প্রদান

--------

২০/- টাকার কোর্ড ফি সংযুক্ত করে সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর আবেদন করতে হয়।

আবেদন প্রাপ্তির পর বিধিমোতাবেক সার্টিফাইড কপি সরবরাহ করা হয়।

উপজেলা ভূমি অফিস

১০

ব্যক্তিগত ভূমি নিয়ে বিরোধ এবং অবৈধ দখল পূনরুদ্বার

--------

একজন বিজ্ঞ আইনজীবির মাধ্যমে The specific relief act, 1877 এর ৮ ও ৯ ধারা মোতাবেক বিজ্ঞ দেওয়ানী আদালতে দায়ের করতে পারবেন। ফৌজদারী কার্যবিধির ১৪৫ ধারা অনুয়ায়ী বিজ্ঞ ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে ফৌজদারী মামলা দায়ের করে ও দখল পূনরুদ্বার করা যায়।

বিজ্ঞ দেওয়ানী ও ফৌজদারী আদালতে

১১

নালিশী ভূমির সীমানা চিহ্নিতকরণ

--------

ব্যক্তি মালিকানাধীন সম্পত্তির সীমানা নির্ধারণ উপজেলা ভূমি অফিসের কানুনগো/সার্ভেয়ার দ্বারা করানো হয় না। সরকারী স্বার্থে সীমানা নির্ধারণ করা হয়।

উপজেলা ভূমি অফিস

১২

রেন্ট সার্টিফিকেট মামলা

--------

ভুমি উন্নয়ন করের বকেয়া দাবী, সরকারী পাওনা, Puplic Deamand Recovery act 1913 অনুয়ায়ী আদায় করা হয়।

১৩

সরকারী ভূমির শর্ত ও স্বার্থ রক্ষা, সায়রাত মহাল এবং সরকারী খাস ভূমি অবৈধ দখলমুক্ত করা

--------

The State Acquisition & Tenarcy act, 1950, The Tenarcy act, 1955 এবং The Survey act 1875, সহ বিভিন্ন ভুমি আইনের আলোকে এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের ভূমি প্রশাসন ম্যানুয়েল এবং ভূমি ব্যবস্থাপনা ম্যানুয়েল অনুয়ায়ী কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়।

১৪

তথ্য, পরামর্শ ও অভিযোগের জন্য

তাৎক্ষণিক

উপজেলা ভূমি অফিসের ‘তথ্য, পরামর্শ অভিযোগ, ও সহায়তা সেল’ এ রক্ষিত অভিযোগ লিপিবদ্ধ করতে পারবেন। ভূমি সংক্রান্ত তথ্য ও পরামর্শের জন্য উপজেলা ভূমি অফিস ও ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যোগাযোগ করুন। ভূমি সংক্রান্ত বিষয়ে আপনার যেকোন সমস্যা, অভিযোগ, তথ্য বা পরামর্শের জন্য সরাসরি সহকারী কমিশনার (ভূমি) এর সাথে সাক্ষাৎ করতে পারবেন।

ভূমি বিষয়ক তথ্য

 

খতিয়ান কী ?
মৌজা ভিত্তিক এক বা একাদিক ভূমি মালিকের ভূ-সম্পত্তির বিবরন সহ যে ভূমি রেকর্ড জরিপকালে প্রস্তুত করা হয় তাকে খতিয়ান বলে।
সি,এস রেকর্ড কী ?
সি,এস হল ক্যাডাস্টাল সার্ভে। আমাদের দেশে জেলা ভিত্তিক প্রথম যে নক্সা ও ভূমি রেকর্ড প্রস্তুত করা হয় তাকে সি,এস রেকর্ড বলা হয়।
এস,এ খতিয়ান কী ?
সরকার কর্তৃক ১৯৫০ সনে জমিদারি অধিগ্রহন ও প্রজাস্বত্ব আইন জারি করার পর যে খতিয়ান প্রস্তুত করা হয় তাকে এস,এ খতিয়ান বলা হয়।  
নামজারী কী ?
উত্তরাধিকার বা ক্রয় সূত্রে বা অন্য কোন প্রক্রিয়ায় কোন জমিতে কেউ নতুন মালিক হলে  তার নাম খতিয়ানভূক্ত করার প্রক্রিয়াকে নামজারী বলে।
জমা খারিজ কী ?
জমা খারিজ অর্থ যৌথ জমা বিভক্ত করে আলাদা করে নতুন খতিয়ান সৃষ্টি করা। প্রজার কোন জোতের কোন জমি হস্তান্তর বা বন্টনের কারনে মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমি নিয়ে নুতন জোত বা খতিয়ান খোলাকে জমা খারিজ বলা হয়।
পর্চা কী ?
ভূমি জরিপকালে প্রস্তুতকৃত খসরা খতিয়ান যে অনুলিপি তসদিক বা সত্যায়নের পূর্বে ভূমি মালিকের নিকট বিলি করা হয় তাকে মাঠ পর্চা বলে। রাজস্ব অফিসার কর্তৃক পর্চা সত্যায়িত বা তসদিক হওয়ার পর আপত্তি এবং আপিল শোনানির শেষে খতিয়ান চুরান্তভাবে প্রকাশিত হওয়ার পর ইহার অনুলিপিকে পর্চা বলা হয়।
তফসিল কী ?
তফসিল অর্থ জমির পরিচিতিমূলক বিস্তারিত বিবরন। কোন জমির পরিচয় প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট মৌজার নাম, খতিয়ান নং, দাগ নং, জমির চৌহদ্দি, জমির পরিমান ইত্যাদি তথ্য সমৃদ্ধ বিবরনকে তফসিল বলে।
মৌজা কী ?
ক্যাডষ্টাল জরিপের সময় প্রতি থানা এলাকাকে অনোকগুলো এককে বিভক্ত করে প্রত্যেকটি একক এর ক্রমিক নং দিয়ে চিহ্নিত করে জরিপ করা হয়েছে। থানা এলাকার এরুপ প্রত্যেকটি একককে মৌজা বলে। এক বা একাদিক গ্রাম বা পাড়া নিয়ে একটি মৌজা ঘঠিত হয়।
খাজনা কী ?
ভূমি ব্যবহারের জন্য প্রজার নিকট থেকে সরকার বার্ষিক ভিত্তিতে যে ভুমি কর আদায় করে তাকে ভুমির খাজনা বলা হয়।
ওয়াকফ কী ?
ইসলামি বিধান মোতাবেক মুসলিম ভূমি মালিক কর্তৃক ধর্মীয় ও সমাজ কল্যানমুলক প্রতিষ্ঠানের ব্যায় ভার বহন করার উদ্দেশ্যে কোন সম্পত্তি দান করাকে ওয়াকফ বলে।
মোতওয়াল্লী কী ?
ওয়াকফ সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা ও তত্ত্বাবধান যিনি করেন তাকে মোতওয়াল্লী বলে।মোতওয়াল্লী ওয়াকফ প্রশাষকের অনুমতি ব্যতিত ওয়াকফ সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারেন না।
ওয়রিশ কী ?
ওয়ারিশ অর্থ ধর্মীয় বিধানের আওতায় উত্তরাধিকারী। কোন ব্যক্তি উইল না করে মৃত্যু বরন করলে আইনের বিধান অনুযায়ী তার স্ত্রী, সন্তান বা নিকট আত্নীয়দের মধ্যে যারা তার রেখে যাওয়া সম্পত্তিতে মালিক হন এমন ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গকে ওয়ারিশ বলা হয়।
ফারায়েজ কী ?
ইসলামি বিধান মোতাবেক মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বন্টন করার নিয়ম ও প্রক্রিয়াকে ফারায়েজ বলে।
খাস জমি কী ?
ভূমি মন্ত্রনালয়ের আওতাধিন যে জমি সরকারের পক্ষে কালেক্টর তত্ত্বাবধান করেন এমন জমিকে খাস জমি বলে।
কবুলিয়ত কী ?
সরকার কর্তৃক কৃষককে জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার প্রস্তাব প্রজা কর্তৃক গ্রহন করে খাজনা প্রদানের যে অংঙ্গিকার পত্র দেওয়া হয় তাকে কবুলিয়ত বলে।
দাগ নং কী ?
মৌজায় প্রত্যেক ভূমি মালিকের জমি আলাদাভাবে বা জমির শ্রেনী ভিত্তিক প্রত্যেকটি ভূমি খন্ডকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করার লক্ষ্যে সিমানা খুটি বা আইল দিয়ে স্বরজমিনে আলাদাভাবে প্রদর্শন করা হয়। মৌজা নক্সায় প্রত্যেকটি ভূমি খন্ডকে ক্রমিক নম্বর দিয়ে জমি চিহ্নিত বা সনাক্ত করার লক্ষ্যে প্রদত্ত্ব নাম্বারকে দাগ নাম্বার বলে।
ছুট দাগ কী ?
ভূমি জরিপের প্রাথমিক পর্যায়ে নক্সা প্রস্তুত বা সংশোধনের সময় নক্সার প্রত্যেকটি ভূ-খন্ডের ক্রমিক নাম্বার দেওয়ার সময় যে ক্রমিক নাম্বার ভূলক্রমে বাদ পরে যায় অথবা প্রাথমিক পর্যায়ের পরে দুটি ভূমি খন্ড একত্রিত হওয়ার কারনে যে ক্রমিক নাম্বার বাদ দিতে হয় তাকে ছুট দাগ বলা হয়।
চান্দিনা ভিটি কী ?
হাট বাজারের স্থায়ী বা অস্থায়ী দোকান অংশের অকৃষি প্রজা স্বত্ত্য এলাকাকে চান্দিনা ভিটি বলা হয়।
অগ্রক্রয়াধিকার কী ?
অগ্রক্রয়াধিকার অর্থ সম্পত্ত্বি ক্রয় করার ক্ষেত্রে আইনানুগভাবে অন্যান্য ক্রেতার তুলনায় অগ্রাধিকার প্রাপ্যতার বিধান। কোন কৃষি জমির মালিক বা অংশিদার কোন আগন্তুকের নিকট তার অংশ বা জমি বিক্রির মাধ্যমে হস্তান্তর করলে অন্য অংশিদার কর্তৃক দলিলে বর্নিত মূল্য সহ অতিরিক্ত ১০% অর্থ বিক্রি বা অবহিত হওয়ার ৪ মাসের মধ্যে আদালতে জমা দিয়ে আদালতের মাধ্যমে জমি ক্রয় করার আইনানুগ অধিকারকে অগ্রক্রয়াধিকার বলা হয়।
আমিন কী ?
ভূমি জরিপের মধ্যমে নক্সা ও খতিয়ান প্রস্তুত ও ভূমি জরিপ কাজে নিজুক্ত কর্মচারীকে আমিন বলা হত।
সিকস্তি কী ?
নদী ভাংঙ্গনে জমি পানিতে বিলিন হয়ে যাওয়াকে সিকস্তি বলা হয়। সিকস্তি জমি ৩০ বছরের মধ্যে স্বস্থানে পয়স্তি হলে সিকস্তি হওয়ার প্রাককালে যিনি ভূমি মালিক ছিলেন, তিনি বা তাহার উত্তরাধিকারগন উক্ত জমির মালিকানা শর্ত সাপেক্ষ্যে প্রাপ্য হবেন।
পয়স্তি কী ?
নদী গর্ভ থেকে পলি মাটির চর পড়ে জমির সৃষ্টি হওয়াকে পয়স্তি বলা হয়।
নাল জমি কী ?
সমতল ২ বা ৩ ফসলি আবাদি জমিকে নাল জমি বলা হয়।
দেবোত্তর সম্পত্তি কী ?
হিন্দুদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানাদির আয়োজন, ব্যাবস্থাপনা ও সু-সম্পন্ন করার ব্যয় ভার নির্বাহের লক্ষ্যে উৎসর্গকৃত ভূমিকে দেবোত্তর সম্পত্তি সম্পত্তি বলা হয়।  
দাখিলা কী ?
ভূমি মালিকের নিকট হতে ভূমি কর আদায় করে যে নির্দিষ্ট ফরমে (ফরম নং-১০৭৭) ভূমিকর আদায়ের প্রমানপত্র বা রশিদ দেওয়া হয় তাকে দাখিলা বলে।
ডি,সি,আর কী ?
ভূমি কর ব্যতিত অন্যান্য সরকারি পাওনা আদায় করার পর যে নির্ধারিত ফরমে (ফরম নং-২২২) রশিদ দেওয়া হয় তাকে ডি,সি,আর বলে।
দলিল কী ?
যে কোন লিখিত বিবরনি যা ভবিষ্যতে আদালতে স্বাক্ষ্য হিসেবে গ্রহনযোগ্য তাকে দলিল বলা হয়। তবে রেজিষ্ট্রেশন আইনের বিধান মোতাবেক জমি ক্রেতা এবং বিক্রেতা সম্পত্তি হস্তান্তর করার জন্য যে চুক্তিপত্র সম্পাদন ও রেজিষ্ট্রি করেন তাকে সাধারনভাবে দলিল বলে।
কিস্তোয়ার কী ?
ভূমি জরিপকালে চতুর্ভূজ ও মোরব্বা প্রস্তুত করারপর  সিকমি লাইনে চেইন চালিয়ে সঠিকভাবে খন্ড খন্ড ভূমির বাস্তব ভৌগলিক চিত্র অঙ্কনের মাধ্যমে নক্সা প্রস্তুতের পদ্ধতিকে কিস্তোয়ার বলে।
খানাপুরি কী ?
জরিপের সময় মৌজা নক্সা প্রস্তুত করার পর খতিয়ান প্রস্তুতকালে খতিয়ান ফর্মের প্রত্যেকটি কলাম জরিপ কর্মচারী কর্তৃক পূরণ করার প্রক্রিয়াকে খানাপুরি বলে।

ছবি নাম মোবাইল

ছবি নাম মোবাইল

ছবি নাম মোবাইল



Share with :

Facebook Twitter